বিশ্ব লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিশ্ব লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

দুবাইয়ে বাংলাদেশি ট্যাক্সি চালকের বিরল সততা


কম্পিউটার ডিজাইনের চাকরিটি ছেড়ে দিয়ে ট্যাক্সির স্টিয়ারিংয়ে হাত রেখেছিলেন বাংলাদেশের নাগরিক আরিফুল করিম। দুবাই ট্যাক্সি করপোরেশনের একটি ট্যাক্সি চালান ২৮ বছর বয়সী এ যুবক। সংযুক্ত আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রীদের পৌঁছে দেন। এই চাকরিটা বেশ উপভোগ করেন আরিফুল। দুই বছর ধরে এ পেশায় রয়েছেন তিনি। গত বছর পবিত্র রমজান মাস শেষ হওয়ার কয়েকদিন আগে সততার অসামান্য এক নজির সৃষ্টি করেছেন এবং সততার যথাযোগ্য স্বীকৃতি, সম্মান ও প্রশংসা পেয়েছেন। বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৫০ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন এক যাত্রীকে। এক যাত্রী ভুল করে আরিফুলের গাড়িতে নগদ ২ লাখ ৩৫ হাজার দিরহাম বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার টাকা ফেলে গিয়েছিলেন। এতো বিপুল অর্থ হাতে পেয়েও নীতিভ্রষ্ট হননি আরিফুল। কর্তৃপক্ষের সহায়তায় পুরো অর্থটাই তিনি ওই যাত্রীকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। তার সততার স্বীকৃতিস্বরূপ রোডস অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (আরটিএ) এ বাংলাদেশিকে ব্যাজ ও সনদ প্রদান করে বিশেষভাবে সম্মানিত করেছেন। গর্বভরে আরটিএ থেকে পাওয়া ব্যাজটি দেখান তিনি। আরিফুল ইসলাম স্মৃতিচারণ করে বলছিলেন, গত বছর রমজান মাস শেষ হওয়ার ঠিক আগে এ ঘটনা ঘটে। এক যাত্রী মনের ভুলে তার জিনিসপত্র ক্যাবে রেখেই চলে যান। আমি বিষয়টি খেয়াল করিনি এবং এরপর আরও কয়েকজন যাত্রীকে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দিই। ট্যাক্সিতে একটু আরামের জন্য গা এলিয়ে দিতেই একটি কাগজের প্যাকেট দেখতে পাই। দুটি সিটের মধ্যিখানে পড়ে ছিল সেটি। সিটের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে প্যাকেটটি বের করে আনতেই বুঝলাম এর মধ্যে নগদ অর্থ আছে। আমি টাকাটা গুণে দেখলাম ২ লাখ ৩৫ হাজার দিরহাম আছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি আরটিকে বিষয়টি জানালাম এবং কার্যালয়ে প্যাকেটটি জমা দিলাম। একদিন পর ওই যাত্রী আরটিএ কার্যালয়ে গেলেন। তাকে বলা হলো, তার প্যাকেটটি যেমন ছিল, তেমনই আছে। আমাকেও ডাকা হলো এবং আমি ওই যাত্রীর সঙ্গে দেখা করলাম। তিনি ছিলেন ইরানের নাগরিক। পুরস্কার হিসেবে আমাকে ৩০০ দিরহাম দিলেন তিনি। আরটিএ কর্তৃপক্ষও একটি ব্যাজ ও সার্টিফিকেট বা সনদ দিয়ে আরিফুলের সততার স্বীকৃতি দেয়। তিনি বলছিলেন, এটাই প্রথমবার নয়। এর আগেও বহুবার তিনি যাত্রীদের উপকার করেছেন। তিনি বলছিলেন, যাত্রীরা প্রায়ই তাদের মানিব্যাগ বা মোবাইল ভুল করে ফেলে যান। প্রতিবার আমি কার্যালয়ে রিপোর্ট করি এবং যাত্রীদের ফেলে যাওয়া জিনিসপত্র সেখানে জমা রাখি। একবার তো তাকে এক যাত্রী ভাড়া পরিশোধের সময় ৫৮ দিরহামের পরিবর্তে ভুল করে ৫৩০ দিরহাম দিয়েছিলেন। সে কথা মনে করে আরিফুল বলছিলেন, আমি যখন বুঝলাম তিনি আমাকে ৫৮ দিরহামের পরিবর্তে ভুল করে ৫৩০ দিরহাম দিয়েছেন, আমি তাকে ডেকে সেটা বললাম। ভোর ৪টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ট্যাক্সি চালান আরিফুল। তিনি বলছিলেন, তার পিতামাতা সবসময় সঠিক পথ বেছে নেয়ার শিক্ষা দিয়েছেন। স্মিত হেসে আরিফুল করিম বলছিলেন, আমার ভালোমন্দ আল্লাহ দেখেন, তো আমি কেন অযথা দুশ্চিন্তা করবো? সূত্র: এমিরেটস টোয়েন্টি ফোর সেভেন

বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৫

প্যারিসে শাহজালাল স্পোটিং ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

প্রতিবারের ন্যায় এবারও প্যারিসে সিলেট শাহজালাল স্পোটিং ক্লাব ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হয়েছে। ফ্রান্সে বসবাসরত হাজারো প্রবাসীদের উপস্থিতিতে এবং ব্যাপক আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মঙ্গলবার লা কর্ণভ স্টেডিয়ামে এ টুর্নামেন্টের আনুষ্টানিক উদ্বোধন করা হয়। এ বছর টুর্নামেন্টে ১১টি ফুটবল দল অংশ গ্রহণ করছে। সকাল ১১টায় ১১ দলের কর্মকর্তা ও উপস্থিত দর্শকদের উপস্থিতিতে ক্লাবের সভাপতি ফয়সল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম ও রেয়াজুল ইসলামের যৌথ পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে টুর্নামেন্টের উদ্ভোধন করেন বাংলাদেশ দূতাবাস ফ্রান্সের হেড অফ কাউন্সিলর হযরত আলী খাঁন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফ্রান্সের সভাপতি কামরুল হাসান বকুল, সিলেট বিভাগ সমাজ
কল্যান সমিতির সাবেক সভাপতি সালেহ আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ইয়ুথ ক্লাব ফ্রান্সের সভাপতি শরীফ আল মোমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক হেনু মিয়া, মেরি দ্যা ক্লিসি সুপার মাখসের চেয়ারম্যান মফিজ আলী, প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহির, সিলেট বিভাগ সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি দেলোয়ার হোসেইন কয়েছ, সিলেট বিভাগ সমাজ কল্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, বাংলাদেশ ইয়ুথ ক্লাব ফ্রান্সের ক্রীড়া সম্পাদক এম এম রুমেল, কুলাউড়া ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজ উদ্দীন প্রমুখ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফ্রান্সের সহ-সাধারণ সম্পাদক আশারাফুর রহমান, শাহজালাল স্পোর্টিং ক্লাবের উপদেষ্টা আব্দুল আহাদ, বদরুল ইসলাম, জাফর খান নান্নু, হেলাল আহমদ, সাবেক সভাপতি গিয়াস উদ্দীন, অর্থ সম্পাদক তানভির আহমদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক হুমায়ুন রশীদ এনাম, ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল কাদির, দপ্তর সম্পাদক জুবের আহমদ মামুন, প্রচার সম্পাদক আব্দুল আহাদ, সামসুল ইসলামসহ সংগঠনের নেতারা। সিলেট শাহজালাল স্পোটিং ক্লাব ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৫ এ ইলেভেন ষ্টার একাদশ, কানাইঘাট একাদশ, কুলাউড়া ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন, রাইজিং ষ্টার, সিলেট একাদশ, বিশ্বনাথ একাদশ, এমএজি ওসমানী স্পোটিং ক্লাব, লা প্লেন একাদশ, সুনামগঞ্জ একাদশ, বাটেরা স্পোটিং ক্লাব, সিলেট রয়েল স্পোর্টিং ক্লাব। টুর্নামেন্টের ২য় পর্বের খেলা আগামী রবিবার একই মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

মায়ের জন্য ভালোবাসা: দৃষ্টি স্থাপন করলেন চীনের এক বাসিন্দা

সারা বিশ্বে বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা যখন দিন দিন বাড়ছে। ঠিক এমন এক সময়ে বিরল দৃষ্টি স্থাপন করলেন চীনের এক বাসিন্দা। যা এ যুগে স্বপ্নময়। মায়ের প্রতি তার ভালবাসাকে আলাদা একটা উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে।

ওর নাম চেন ঝেনগিং, চিনের দক্ষিণ পশ্চিম এলাকায় বসবাস। দুটো হাত নেই। যখন সাত বছর বয়স তখন বড় ধরনের ইলেকট্রিক শক খেয়ে দুটো হাতই নষ্ট হয়ে গিয়েছে চেন ঝেনগিং এর। এদিকে মা গত বছর জুলাই থেকে প্যারালাইস হওয়ার পর থেকে শরীর নাড়াতে পারে না। তবে এর আগেই ৪৮ বছরের দু হাত হীন চেন আর তার মা-কে দেখাশোনা করা ছেড়ে চলে গেছেন তার ভাই-বোনেরা। ২৮ বছর আগে বাবাকেও হারিয়েছেন চেন। কিন্তু মায়ের ভালবাসা ছেড়ে কোথাও যায়নি।

মা পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়ার পর আর কিছুই করতে পারেন না। চেন মা-কে খাইয়ে দেয়, গোসল করিয়ে দেয়, ঘুম পাড়িয়ে দেয়। দুটো হাত নেই বলে কাজগুলো চেনের কাছে খুবই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু তাতে কি। কথায় আছে না ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। ভালবাসা থাকলে সব কঠিন কাজকে সহজ করে দেয়। চেন মা-কে খাইয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহার করে দাঁত আর ঠোঁট, গোসল করানোর জন্য ব্যবহার করে পা, খাওয়ার তৈরির জন্য ব্যবহার করে পা।

চেন বলছেন, শীতের সময়টাতেই বেশি কষ্ট হয়। কারণ হাত নেই বলে মোজা পরতে পারে না। ওর চিন্তায় এখনই এটা শিখে ফেলতে না পারলে আসছে শীতে তার মা-কে মোজা পরাতে সে পারবে না। তাই চেন এখন পা দিয়ে মোজা পরার কৌশলটা নিয়ে খুব ব্যস্ত। শীত আসছে, মা-কে ঠাণ্ডা থেকে বাঁচাতেই হবে।

চেনের এই মাতৃস্নেহ ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে। সবাই চেনের পাশে এসে দাঁড়াতে সাহয্যে হাতও বাড়িয়ে দিয়েছেন।

শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৫

প্রযুক্তি বিশ্বে শীর্ষ বেতনের ১৪ চাকরি


প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বেতন ভাতার ব্যাপারে যে কোন কার্পণ্য করে না, তাতে কোন সন্দেহ নেই। এখন স্বভাবতই প্রশ্ন আসতে পারে কোম্পানিগুলোতে কাদের বেতন কত এবং কোন কোন পেশায় কত সুযোগ রয়েছে?
সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত চাকুরী খোজার ওয়েবসাইট গ্লাসডোর কোন চাকুরীর চাহিদা এবং বেতন কত এ নিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করে এবং স্বাভাবিক ভাবেই দেখা যায় তালিকার সিংহভাগ চাকুরীই প্রযুক্তি ক্ষেত্রের দখলে।
প্রিয় পাঠকদের জন্যে তালিকাটি তুলে ধরা হল:
১৪. সেলস ইঞ্জিনিয়ার

বাৎসরিক গড় বেতন: ৯০,৮৯৯ মার্কিন ডলার
এই ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ হল কাস্টমারদের প্রয়োজন বুঝে কোম্পানির যে কোন ধরণের কন্ট্রাক্ট এবং প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা।
১৩. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

বাৎসরিক গড় বেতন: ৯৬,৩৯২ মার্কিন ডলার
সফটওয়্যার প্রোগ্রামারদেরই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বলা হয়। নিজস্ব সফটওয়্যার এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার তৈরি করতে প্রতিটি প্রযুক্তি কোম্পানির সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন।
১২. ইউএক্স ডিজাইনার

বাৎসরিক গড় বেতন: ৯৬,৮৫৫ মার্কিন ডলার
ইউএক্স ডিজাইনার অথবা "ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইনারদের" কাজ হচ্ছে, প্রডাক্ট গুলো যাতে দেখতে, কাজ করতে ভাল লাগে এককথায় মানুষ যাতে সহজে সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করতে পারে এটা নিশ্চিত করা।
১১. ডাটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর

বাৎসরিক গড় বেতন: ৯৭,২৫৮ মার্কিন ডলার
একটা কোম্পানির অন্যতম প্রধান কাজ হচ্ছে ডাটাবেজ নিয়ন্ত্রণ করা, এর মাধ্যমে ট্রানজেকশন, ইনভেন্টরি সহ আরও অনেক তথ্য জমা করে রাখতে হয়। আর এ পুরো কাজটিই নিয়ন্ত্রণ করে ডাটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর।
১০. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

বাৎসরিক গড় বেতন: ১,০১,১৫৪ মার্কিন ডলার
কোম্পানির যাবতীয় ইলেক্ট্রনিক্স জিনিসপত্র এবং সব ধরণের কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ডিজাইন করাই হচ্ছে হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের কাজ।
৯. কিউএ ম্যানেজার

বাৎসরিক গড় বেতন: ১,০১,৩৩০ মার্কিন ডলার
কিউএ অথবা "কোয়ালিটি অ্যাসুয়ারেন্স" ম্যানেজার প্রোডাক্ট টেস্টিং থেকে শুরু করে যেকোনো ধরণের ইরোর খুঁজে বের করার কাজ করে এবং নিশ্চিত করে যে প্রোডাক্ট বা সফটওয়্যারে কোন সমস্যা নেই।
৮. সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার

বাৎসরিক গড় বেতন: ১,০২,৭৪৯ মার্কিন ডলার
সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়াররা কোম্পানির সব ধরণের সিস্টেম ডিজাইন থেকে শুরু করে যে কোন ধরণের ত্রুটি এবং সেটা ঠিক করার মধ্যমে কোম্পানির নেটওয়ার্ক, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য মূল্যবান সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
৭. ডাটা সাইন্টিস্ট

বাৎসরিক গড় বেতন: ১,০৫,৩৯৫ মার্কিন ডলার
কোম্পানির ডাটা অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে সামনে কি হতে পারে অথবা কি করলে কোম্পানির মুনফা বৃদ্ধি পাবে অথবা কখন কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করা উচিৎ এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করাই হচ্ছে ডাটা সাইন্টিস্টদের কাজ।
৬. প্রোডাক্ট ম্যানেজার

বাৎসরিক গড় বেতন: ১,১৩,৯৫৯ মার্কিন ডলার
ডিজাইন এবং মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টকে চালানোই হচ্ছে প্রোডাক্ট ম্যানেজারের কাজ। যদিও এটা প্রযুক্তি বিষয়ক কোন কাজ নয় তারপরও বিভিন্ন কোম্পানিগুলোতে প্রোডাক্ট ম্যানেজাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৫. আইটি ম্যানেজার

বাৎসরিক গড় বেতন: ১,১৫,৬৪২ মার্কিন ডলার
কোম্পানির টেকনোলজি ইনফ্রাস্টেকচার, সহজ কোথায় কোম্পানির মূল নেটওয়ার্ক ডিজাইন করাই হচ্ছে এদের কাজ।
৪. অ্যানালিটিক্স ম্যানেজার

বাৎসরিক গড় বেতন: ১,১৫,৭২৫ মার্কিন ডলার
ব্যবসায়িক এবং আর্থিক যেকোনো ধরণের বিশ্লেষণের মাধ্যমে কোম্পানির উন্নতি এবং প্রয়োজন নিশ্চিত করাই অ্যানালিটিক্স ম্যানেজারদের কাজ।
৩. সলিউশন আর্কিটেক্ট

বাৎসরিক গড় বেতন: ১,২১,৫২২ মার্কিন ডলার
সলিউশন আর্কিটেক্টরা মূলত কোম্পানির জন্যে জটিল সব সফটওয়্যার অথবা কম্পিউটার সিস্টেম ডিজাইন করে থাকে।
২. সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার

বাৎসরিক গড় বেতন: ১,২৩,৭৪৭ মার্কিন ডলার
এরা সফটওয়্যার প্রোজেক্টের প্রোজেক্ট লিডার হিসেবে কাজ করে।
১. সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট

বাৎসরিক গড় বেতন: ১,৩০,৮৯১ মার্কিন ডলার
এদের কাজ হচ্ছে অত্যন্ত জটিল সব সফটওয়্যার ডিজাইন থেকে শুরু করে জটিল সব সফটওয়্যার ডিজাইনের সহজ সমাধান করা

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৫

নদী সাঁতরে ক্লাস নিতে যাওয়া এক অদম্য শিক্ষকের গল্প

শিক্ষকতা সবসময়ই মহান পেশা। জাতি গড়ার কারিগরই বলা হয় শিক্ষককে। তবে এই মহান পেশাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেলেন ভারতের স্কুলশিক্ষক এটি আব্দুল মালিক। সময়মতো ক্লাসে পৌঁছাতে তিনি প্রতিদিন নদী সাঁতরে স্কুলে যান। ৩৫ বছরের শিক্ষকতা জীবনে তিনি পাড়ি দিয়েছেন প্রায় ৭০০ কিলোমিটার।
কেরালার পদিনিযাদুমরি গ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৯৯২ সাল থেকে শিক্ষকতা করছেন মালিক। তার বাসা থেকে স্কুলটিতে যাওয়ার জন্য তাকে দুইটি বাস বদলাতে হয়। হাটতে হয় আরো ২ কিলোমিটার। স্কুল পৌঁছাতে পৌঁছাতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লেগে যায়। কিন্তু নদীর পারে যেতে তার সময় লাগে ১০ মিনিট। আর সেখান থেকে স্কুলের দূরত্ব তিন মিনিটের।
প্রতিদিন নদীর পারে গিয়ে নিজের পোশাক ও জিনিসিপত্র প্লাস্টিকে মুড়িয়ে ফেলেন তিনি। চোখে গগলস ও এক হাতে ব্যাগ নিয়ে পানির উপরে ধরে রেখে নদী পার হন এই শিক্ষক । সময়ানুবর্তীতার জন্য নিজেই গ্রামবাসীদের কাছ এক জীবন্ত ঘড়িতে পরিণত হয়েছেন তিনি। প্রতিদিন সকাল ৯ টার সময় তিনি পানিতে থাকেন। নদী পার হয়ে আবার কাপড় পরে স্কুলে যান মালিক। সেখানে হাসিমুখে তার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে অনেক শিশু। আ্রর এই শিশুদের হাসিমুখই তার প্রেরণা বলে জানান ওই শিক্ষক।

এই শিক্ষক বিশ্বাস করেন তার এই কার্যক্রম অনেককে উৎসাহ দেবে। নিজের শিক্ষার্থীদের নিয়েও অনেক সময় সাঁতার কাটতে চলে যান মালিক। তার এই পদক্ষেপগুলো হয়তো নদী বাঁচাতে সকলকে সচেতন করে ‍তুলবে বলেই তার বিশ্বাস।
এর আগে ৫ই সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসে তার প্রশংসা করেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা। মালিকের এই পরিশ্রমের জন্য যুক্তরাজ্যের এক চিকিৎসক তাকে একটি নৌকাও উপহার দেয়। কিন্তু তার আগেই ১৯ বছর ধরে প্রতিদিন সাঁতরেই ক্লাস নিতে গেছেন মালিক।

সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০১৫

ব্রিটিশ ভিসা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সিলেটীরা!

ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করে গতবছর বাংলাদেশ থেকে ব্রিটিশ ভিসা প্রসেসিং প্রক্রিয়া ভারতের দিল্লিতে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকেই ব্রিটিশ ভিসা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হতে শুরু করেন বাংলাদেশিরা। বিশেষ করে সিলেটের মানুষই যেহেতু ব্যাপকহারে ব্রিটেনে গিয়ে থাকেন, এক্ষেত্রে ভিসা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন মূলত সিলেটীরাই। আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে, অতীতে বেশ কয়েকবার যুক্তরাজ্য সফর করেছেন, এমন ব্যক্তিরাও এখন ব্রিটিশ ভিসা পাচ্ছেন না!

তথ্যানুসারে, ১৮০৯ সালে সিলেটের সৈয়দ আলী প্রথম বিলেত তথা যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তার পথ ধরে গত প্রায় ২০৬ বছরে ১০ লাখ বাংলাদেশি বর্তমানে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। যার ৯৫ ভাগই সিলেট অঞ্চলের। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ব্রিটিশ ভিসা প্রত্যাশী মানুষদের ৯০ ভাগই সিলেটী।

সিলেটের মানুষের ব্রিটেনপ্রীতির প্রতি দৃষ্টি দিয়ে ২০০১ সালে নগরীর কুমারপাড়ায় ব্রিটিশ হাইকশিনের কনস্যুলার অফিস স্থাপন করা হয়। কিন্তু ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করার ফলে গতবছর অক্টোবরে ওই কনস্যুলার অফিস স্থানান্তর করা হয় ভারতে। মূলত এরপর থেকেই সিলেট অঞ্চল থেকে ব্রিটিশ ভিসা প্রত্যাশীরা বঞ্চিত হওয়া শুরু করেন। ব্রিটিশ কনস্যুলার অফিস স্থানান্তর করার আগে সিলেট অঞ্চল থেকে যেখানে প্রত্যাশীরা ৫০ ভাগের উপরে ভিসা পেতেন, বর্তমানে সেখানে মাত্র ১০-১২ ভাগ পাচ্ছেন!

আরো আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, যেসকল ব্যক্তি অতীতে কয়েকবার যুক্তরাজ্য সফর করেছেন, বর্তমানে তাদেরকে ভিসা দিচ্ছে না যুক্তরাজ্য!

ব্রিটিশ ভিসা প্রত্যাশী আতিক আহমদ বলেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত চারবার যুক্তরাজ্য ভিজিট করেছি। কখনো ভিসা রিজেক্ট হয়নি। কিন্তু কনস্যুলার অফিস দিল্লিতে যাওয়ার পর পঞ্চমবারের মতো ভিজিট ভিসার আবেদন করে আমি রিজেক্টেড হয়েছি!’

ভারতে ১০০ হিন্দু পরিবারের ইসলাম গ্রহণ

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে ১০০ দলিত (নিম্নবর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়) পরিবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে।

জমি দখল এবং ধর্ষণের ঘটনায় উচ্চবর্ণের প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার প্রতিবাদে তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভারতের প্রভাবশালী পত্রিকা হিন্দুস্তান টাইমস।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দিল্লির যন্তর-মন্তরে ২০১৪ সালের ১৬ এপ্রিল থেকে সুবিচার চেয়ে ধর্না দিচ্ছিল। এক বছরের বেশি সময় ধরে আন্দোলনরত পরিবারের সদস্যরা শুক্রবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। অবশেষে শনিবার তারা ইসলাম গ্রহণ করেন।

আন্দোলনরতদের দাবি ছিল, ভাগানা ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে এবং শামলাত ভূমি থেকে অবৈধ দখলদারি মুক্ত করতে হবে।

এ নিয়ে তারা শুক্রবার হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টারের সঙ্গে দেখা করে দাবিও জানিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস না পেয়ে তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

ভাগানা গ্রামের ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, সুবিচার পাওয়ার আশায় তারা মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টারের সঙ্গে চারবার দেখা করেছেন। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছেও অনেকবার দাবি জানানো হয়েছে। কিন্তু অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হিসার প্রশাসন নীরব থেকেছে।

২০১২ সালের ২১ মে হরিয়ানার ভাগানা গ্রামে উচ্চবর্ণের লোকদের সঙ্গে দলিতদের বিবাদ শুরু হয়। এ সময় ৫২ টি পরিবারের সদস্যরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

শামলাতে একটি জমি থেকে অবৈধ দখলদারি মুক্ত করার দাবিকে কেন্দ্র করে বিবাদের সূত্রপাত হয়। গ্রামবাসীরা দলিতদের একঘরে করে দিলে তারা গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হন। পরে ভাগানা গ্রামের ৪ দলিত নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।

ভাগানা কাণ্ড সংঘর্ষ সমিতি বা বিকেএসএস'র প্রেসিডেন্ট বীরেন্দর বাগোরিয়া বলেছেন, উচ্চবর্ণের লোকেরা আমাদের মানুষ বলেই মনে করতে চায় না, তাই ওই ধর্মে থাকার আর যৌক্তিকতা কোথায়?

তিনি বলেছেন, মৌলবি আব্দুল হানিফের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তারা কলেমা পড়ে নামাজ পড়েছেন বলেও জানান বীরেন্দর বাগোরিয়া।

মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০১৫

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Design Blog, Make Online Money