বাংলাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বাংলাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৫

পুরো কোরআন শরীফ হাতে লিখে তাক লাগালেন সুমন

এককালে পবিত্র কোরআন হাতে লেখার প্রচলন ছিল। সে সময় এটা একটি শিল্পও ছিল। তবে মেশিন আবিষ্কার হওয়ার পর হাতে লেখার প্রচলন উঠে গেছে বললেই চলে। এই যুগেও পুরো কোরআন হাতে লিখে তাক লাগিয়ে দিলেন বাংলাদেশি যুবক হুমায়ুন কবির সুমন।
হুমায়ুনের বাড়ি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বারড়িয়া গ্রামে। তার বাবার নাম রজব আলী শিকদার। কোরআন শরিফটি তার লিখতে সময় লেগেছে প্রায় তিন বছর।
১৯৯৯ সালে এসএসসি পাস করা হুমায়ুন কোনো মাদ্রাসায় পড়েনি। আরবি পড়া ও শেখার জন্য তার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রিও নেই। সম্পূর্ণ নিজ ইচ্ছায় ও উদ্যোগে আরবি লেখা শিখেছেন হুমায়ুন। তার ইচ্ছা ছিল বড় চিত্র শিল্পী হওয়ার। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অস্বচ্ছলতার জন্য তার এ ইচ্ছা পূরণ হয়নি।
হুমায়ুন হাতে লেখা কোরআনে কারিমের অঙ্গসজ্জায় চমৎকার ক্যালিওগ্রাফিও ব্যবহার করেছেন। হুমায়ুনের ইচ্ছা রয়েছে, ভবিষ্যতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাতের লেখা কোরআনে কারিম হাতে লিখে বিশ্ব রেকর্ড করার।
হুমায়ুন ঢাকার গাউছিয়া মার্কেটের একটি শোরুমের সহকারী ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। ১৯৮২ সালে জন্ম নেওয়া হুমায়ুন এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক।

বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৫

রাজন হত্যা মামলা: তৃতীয় দিনে সাক্ষ্য দিচ্ছেন ৪ জন

শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলায় তৃতীয় দিনের মতো সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। বুধবার দুপুর ১২টায় সিলেট মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধার আদালতে কারাগারে থাকা ১০ আসামিকে হাজির করা হয়। পরে তাদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
তৃতীয় দিনে সাক্ষ্য দেবেন স্থানীয় বাদেয়ালী গ্রামের বাসিন্দা ইশতিয়াক আহমদ রায়হান, নিজাম উদ্দিন, অনন্তপুর গ্রামের আব্দুজ জাহির মেম্বর ও শেখপাড়ার বাসিন্দা পংকী মিয়া।
এর আগে ১ অক্টোবর এই আদালতে রাজনের বাবা শেখ আজিজুর রহমান ও জালালাবাদ থানার বরখাস্ত এসআই আমিনুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্যদিয়ে বহুল আলোচিত এ মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
এছাড়া ৪ অক্টোবর দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। ওই দিন রাজনের মা লুবনা বেগমসহ চারজন সাক্ষী আদালতে তাদের সাক্ষ্য দেন।
আদালত সূত্র জানায়, আগামী ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবরও সাক্ষ্য নেওয়া হবে। মামলার মোট সাক্ষী ৩৮ জন।

গত ৮ জুলাই ভোরে ‘চোর’ সন্দেহে শিশু রাজনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নির্যাতনের ভিডিওচিত্র ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিলে দেশে-বিদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ইন্সপেক্টর সুরঞ্জিত তালুকদার গত ১৬ আগস্ট ১৩ জনের বিরুদ্ধে এ হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।
পরে ২২ সেপ্টেম্বর আদালতের বিচারক চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলায় সৌদি আরবে আটক কামরুলসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় চার্জ গঠন করেন।
এদিন আদালতের বিচারক মামলার বিচারকাজ দ্রুত সম্পন্নে ১, ৪, ৭, ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কাজিরবাজার সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সিলেট নগরীর সুরমা নদীর ওপর নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত কাজিরবাজার সেতু বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরই মধ্য দিয়ে উন্মেচিত হলো যোগাযোগের নতুন দ্বার। সেতুবন্ধন হলো সুরমার উত্তর দক্ষিণের বাসিন্দাদের মধ্যে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপি-জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, তাদের সরকারের আমলে কেবল প্রকল্প নেয়া হয়েছিল। কাজিরবাজারের মতো এমন অনেক ব্রীজ আছে-যেগুলোর পিলার তোলার পর আর কোন কাজ হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন- সম্পন্ন করেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় গণভবন থেকে সিলেটের জেলা প্রশাসকের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সিলেট নগরীর সুরমা নদীতে কাজিরবাজার সেতুর উদ্বোধন এবং বিমানবন্দর বাইপাস ইন্টারসেকশন-লালবাগ-সালুটিকর-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ সড়ককে জাতীয় মহাসড়কে উন্নীতকরণ প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তÍর স্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী সিলেট নগরীকে পরিকল্পিত আধুনিক নগরী হিসাবে গড়ে তুলতে তারা কাজ করছেন। সিলেট বিভাগীয় সদরের স্থাপনা আওয়ামী লীগ সরকার নির্মাণ করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সিলেট জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীন। এ সময় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত দেশের বাইরে থাকায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে তার পাঠানো একটি ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রীসহ উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারায় আক্ষেপ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ, সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার এমপি আল আমিন, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লুৎফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

এর আগে গত ২০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সিলেটের কুশিয়ার নদীর ওপর নির্মিত চন্দরপুর-সুনামপুর সেতু ও সুনামগঞ্জে সুরমার ওপর নির্মিত সুরমা সেতুসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নয়টি সেতু উদ্বোধন করেন।

সওজ সূত্র জানায়, সিলেট নগরীর শেখঘাট এলাকায় কাজির বাজার নামকস্থানে সুরমা নদীর উপর ১৮৯ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বহুল প্রত্যাশিত ‘কাজির বাজার পিসি গার্ডার সেতু’র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নগরীর যানজট নিরসনের লক্ষ্যে ২০০৫ সালের এপ্রিলে সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। কিন্তু পরিকল্পনা ও ডিজাইন ছাড়া কাজ শুরু হওয়ায় কিছুদিন পরেই থেমে যায় সেতুটির নির্মাণ কাজ। এক পর্যায়ে এটা পরিত্যাক্ত সেতুতে পরিণত হয়।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নতুন ডিজাইন ও প্রকল্প সংশোধনের মাধ্যমে নতুন আঙ্গিকে পুণরায় সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু করে। ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আজ সিলেটবাসীর এই কাঙ্খিত সেতুটি উদ্বোধনের মাধ্যমে পরিপূর্ণ রূপ ধারণ করেছে। কাজিরবাজার পিসি গার্ডার সেতুর উপর দৈর্ঘ্য ৩৯১ মিটার। ১৮ দশমিক ৯০ মিটার প্রস্তের সেতুটির স্পেন সংখ্যা ১০টি। রয়েছে ৯টি পিয়ার ও ২টি এবাটমেন্ট। সেতুর উভয় দিকে অ্যাপ্রোচ সড়ক রয়েছে ৮৬৫ মিটার। এর মধ্যে সেতুর উত্তর প্রান্তে ২৩০ মিটার ও দক্ষিণ সুরমা প্রান্তে রয়েছে ৬৩৫ মিটার অ্যাপ্রোচ সড়ক। পাইল ফাউন্ডেশনের উপর নির্মিত পিসি গার্ডার এই সেতুর ভিত্তিপ্রস্তÍর স্থাপন করা হয় ২০০৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর।

তৎকালীন ৪ দলীয় জোট সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান ও যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যরিস্টার নাজমুল হুদা এর ভিত্তিস্থাপন করেছিলেন।

প্রাথমিকভাবে ৪৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি ২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে সম্পন্নের কথা ছিল। সেতুর কাজ চলমান থাকাকালে ওয়ান ইলেভেনের সময় হঠাৎ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এরপর ২০১২ সালে আওয়ামী লীগ সরকার সেতুর কাজ পুনরায় শুরু করে। এজন্যে প্রকল্পটি সংশোধন করা হয়। প্রকল্প ব্যয় বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে তা দাঁড়ায় ১৮৯ কোটি ৭ লাখ টাকায়। এ সময় নগরীর শেখঘাটে ঐতিহ্যবাহী জিতু মিয়ার বাড়ি রক্ষা করার জন্য সেতুর নকশা বদলও করা হয়। এ ছাড়া সেতুর দৈর্ঘ্য বাড়ানো হয় ২৫ মিটার। সে সময় ব্যয়ও বাড়ে।

তবে শেষ পর্যন্ত নির্মাণ ব্যয় দাঁড়ায় ১২৪ কোটি টাকা। অবশ্য এজন্য সেতুর প্রস্থ ১৯ মিটার থেকে কমিয়ে ১৮ দশমিক ৪ মিটার করা হয়। তবে দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে ৩৯১ মিটারে উন্নীত করা হয়। সেতুটির নির্মাণ কাজ হওয়ায় প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক পর্যটক সেতু দেখতে ছুটে যাচ্ছেন।

সেতুর নির্মাণ কাজ তদারকির জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বেশ কয়েকবার সেতু পরিদর্শন করেন জানায় সওজ সূত্র।

২০১৪ সালের বিজয় দিবসের উপহার হিসেবে সেতুটি উদ্বোধনের কথা থাকলেও তা হয়নি। তিন দফা তারিখ পেছানোর পর অবশেষে প্রধানমন্ত্রী সেতুটির উদ্বোধন করেন।

অন্যদিকে ৯ বছর ধরে বেহাল দশায় রয়েছে সিলেটের সঙ্গে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার যোগাযোগ। সড়কটির উন্নয়নে উপজেলাবাসীর দাবি দীর্ঘদিনের। গত বছরে যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সড়কটিকে ক্যান্সার আক্রান্ত বলে আখ্যায়িত করেন। এ অবস্থায় রাস্তাটি জাতীয় মহাসড়কে উন্নীত করে গত ৭ এপ্রিল ৪৪১ কোটি ৫৪ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয় একনেক।

সওজ সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে প্রকল্পটির দরপত্র আহবান করা হয়েছে। নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বিদেশি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। আগামী ৩ বছরে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে জানায় সওজ সূত্র।

সিলেট এসে গরুর মাংস দিয়ে সাতকরা খেতে চান প্রধানমন্ত্রী!

আবার যখন সিলেটে আসবেন, তখন গরুর মাংস দিয়ে সাতকরা খেতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমন ইচ্ছাই ব্যক্ত করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমি বিভিন্ন সময় সিলেট গেলেও গরুর মাংস দিয়ে সাতকরা খাওয়া হয়নি কখনো। এজন্য আমার আফসোস আছে। আমি আগামীতে সিলেট গেলে গরুর মাংস দিয়ে সাতকরা খেতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সিলেটে সুরমা নদীর উপর নির্মিত কাজিরবাজার সেতু উদ্বোধনকালে তার এই ইচ্ছের কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কাজিরবাজার সেতু উদ্বোধন ও সিলেটের বিমানবন্দর-ভোলাগঞ্জ মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করার কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। সিলেটে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভিডিও কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। ভিডি কনফারেন্সে দেশের বাইরে থাকা অর্থমন্ত্রীও বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এসে পিলার গেড়ে নাটক করে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়ন হয়। সেতু নির্মাণসহ সিলেটের যতো উন্নয়ন হয়েছে সব আওয়ামী লীগ করেছে। আগামীতেও সিলেটের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে।’ ভিডিও কনফারেন্সে সিলেট থেকে বক্তব্য রাখেন সিলেটের জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীন। এসময় সিলেট জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সাংসদ ইমরান আহমদ, মাহমুদ-উস- সামাদ চৌধুরী কয়েস, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লুৎফুর রহমান, সাবেক সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাবেক মেয়র মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরানসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৫

শিশু রাজন খুন: বাদিপক্ষের সাক্ষী সাফাই গাইলেন আসামিপক্ষের!

সিলেটের শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলায় সাক্ষী দিতে এসে ভোল পাল্টালেন ব্যবসায়ী মাসুক মিয়া। তিনি কুমাগাঁও রাজন হত্যার ঘটনাস্থলের ব্যবসায়ী। তাই তাকে ওই মামলার চার্জশিটে বাদি পক্ষের সাক্ষী হিসেবে দেখানো হয়েছিল। কিন্তু আজ সিলেট মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধার আদালতে সাক্ষী দিতে এসে আসামিপক্ষের হয়ে কথা বলেছেন তিনি। পরে বাদি পক্ষের আইনজীবীরা তাকে বৈরী ঘোষণা করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ রবিবার দুপুর ১২টার দিকে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে গ্রেফতারতৃত ১০ আসামির উপস্থিতে বাদি পক্ষের ৫ সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য গ্রহণের শুরুতেই রাজনের মায়ের সাক্ষ্যগ্রহন করেন আদালত। পরে রাজন হত্যার ঘটনাস্থলের ব্যবসায়ী মাসুক মিয়ার সাক্ষ্যগ্রহন শুরু হয়। এ সময় তিনি আসামিদের পক্ষে কথা বলা শুরু করেন। এক পর্যায়ে বাদি পক্ষের আইনজীবীরা তাকে বৈরী ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে রাজনের বাবার নিযুক্ত আইনজীবী অ্যাডভোকেট শওকত চৌধুরী জানান, ব্যবসায়ী মাসুক ১৬১ ধারায় পুলিশের কাছে এক রকম সাক্ষী দিয়েছিলেন। কিন্তু আজ আদালতে এসে পুরো ভিন্ন সাক্ষী দেয়া শুরু করেন তিনি। তাই আমরা আদালতের কাছে তাকে বৈরী ঘোষণা করার আবেদন জানিয়েছি।
প্রসঙ্গত, ব্যবসায়ী মাসুক মিয়ার গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার সাবেরগাঁওয়ে। রাজন হত্যার প্রধান আসমি কামরুলের গ্যারেজের পাশে একটি দোকান রয়েছে তার। তাই ওই মামলায় পুলিশ ১৬১ ধারায় তার জবানবন্দি নিয়েছিল।

ব্রিটিশ মুসলিমদের গর্ব বাঙালি কন্যা নাদিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইংল্যান্ডের লুটন শহরের একটি আলোচিত নাম নাদিয়া হোসেন। অসাধারণ কেক প্রস্তুতকারী হিসেবে সুনাম অর্জনকারী নাদিয়া ইতিমধ্যেই ব্রিটিশ মুসলিম তরূণীদের রোল মডেলে পরিণত হয়েছেন। বিশেষ করে লুটনের সকলেরই ভালোবাসার পাত্রী তিনি।

তিন সন্তানের জননী, সদালাপী, চৌকস, চিত্তাকর্ষক হাসির অধিকারিণী ও হিজাব পরিহিত নাদিয়া এ সপ্তাহের ‘বিবিসি সেরা ব্রিটিশ বেকার’ পুরষ্কারের জন্য হট ফেভারিট বলে বিবেচিত হচ্ছেন।
ফলে যারা নাদিয়াকে চোখের সামনেই স্কুলবালিকা থেকে উদীয়মান টিভি তারকায় পরিণত হতে দেখেছেন তারা গর্বে উচ্ছ্বসিত হয়েছেন।

বেডফোর্ডশায়ার শহরে নাদিয়া হোসেনের পরিবারের ৩৯ বছর বয়সী প্রতিবেশী দিপালি প্যাটেল বলেন, ‘স্কুলে যাওয়ার বয়স থেকেই সে কেক তৈরি করতো এবং তার বানানো ‘গাজর কেক’ দারুন সুস্বাদু। সে খুব ভালো মেয়ে। আমরা তাকে নিয়ে গর্বিত।’

ছোট্ট শহরটির মেয়েটি ভালো করছে বলে গর্ব হচ্ছে-বিষয়টা শুধু এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। লিউটনের মুসলিম সম্প্রদায় তাকে নিয়ে গর্বিত এ কারণে যে তাদেরই একজনকে নিয়ে কোনো খারাপ প্রচারণা বদলে দেশজুড়ে আলোচনা হচ্ছে।

শহরটিতে অভিবাসী জনসংখ্যা প্রচুর। বিশেষকরে ঊনিশ’ পঞ্চাশের দশক থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে এখানে এসে বহু পরিবার বসতি স্থাপন করেছে।

ত্রিশ বছর বয়সী নাদিয়া যেখানে বেড়ে উঠেছেন সেই বারি পার্কের আশেপাশেই রয়েছে বহু হিন্দু ও মুসলিম, ভারতীয়, বাংলাদেশি এবং পাকিস্তানি। তারা এখানে ব্যবসায়ের সম্প্রসারণ ঘটাচ্ছেন এবং একত্রে বসবাস, খাওয়া-দাওয়া, কাজকর্ম এবং নামাজ আদায় করছেন।

এই শহরের ডানস্টাবল রোডের দোকানগুলোতে পাওয়া যায় উজ্জ্বল রঙের শাড়ি আর বড় থলে ভর্তি চাল-যা অনেক এশীয়র প্রিয়।

লুটনের অনেকের কাছে হিজার পরিহিত মেয়েটি দারুণ পরিচিত। তার নিমকি, চকোলেট আর উদ্ভাবনশীল চিজকেক তৈরির দৃশ্য যখন টিভিতে সম্প্রচার হয়েছে তখন তা তাদের কাছে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

গত সপ্তাহে রেডিও টাইমসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে নাদিয়া বলেন, আমি প্রথাগত কোনো ব্রিটিশ না হলেও এর মানে এই নয় যে পতাকা, কেক বা চায়ে আমি নেই। আমি অন্য ব্রিটিশদের মতই এবং আমি আশা করি আমি সেটা প্রমাণ করতে পেরেছি।’

বুধবারের চূড়ান্ত পর্বে নাদিয়ার সফলতায় লুটনের তরুণী মুসলিমরা, বালিকারা দারুণ উজ্জীবিত। নাদিয়ার মতই হিজাব পরছেন বেডফোর্ডশায়ার বিশ্ববিদ্যিালয়ের আর্টের ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মো। তারা উভয়ই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত।

হিজাব পরা একজন তরুণীকে কেক তৈরির অনুষ্ঠানে দেখে মো-এর মত অনেকে ব্রিটিশই বিস্মিত হয়েছেন।

নাদিয়ার স্বামী আবদাল একজন কারিগরি ব্যবস্থাপক। সন্তানদের নিয়ে তারা লিডসে বাস করেন।

উন্নত জীবনের আশায় ব্রিটেনে এসেছিলেন তারা। নাদিয়া চালনি গার্লস হাই স্কুলে অধ্যয়ন করেন। স্কুলটি তার বাসা থেকে সামান্য পায়ে হাঁটার দূরে অবস্থিত।

তারে সাবেক শিক্ষক নাদিয়াকে একজন মনোযোগী এবং নিবেদিতপ্রাণ ছাত্রী হিসেবে বর্ণনা করেন। স্কুল শিক্ষক জন মার্শালের কাছে থেকে প্রথম পাচকগিরি শেখেন নাদিয়া।

নাদিয়া জানান, বাংলাদেশের রেস্তোরাঁয় সাধারণত আইসক্রিম পরিবেশন করা হয় না। কিন্তু তারা বাবা যখন লুটনে তার রেস্তোরাঁয় এটি সরবরাহ করতেন তাতে তিনি অবাক হতেন।

পরে জন মার্শাল নাদিয়াকে তার বাড়িতে ঐতিহ্যবাহী ব্রিটিশ কেক, প্যাস্ট্রি ও পুডিং তৈরির উৎসাহ দেন যদিও নাদিয়াদের বাসায় তখনও কোনো ওভেন ছিল না।

পরে তার উৎসাহে নাদিয়া বাড়িতে এসব তৈরি শুরু করলে তার পরিবার খুশি হয়, বিশেষ করে তার ভাই ও বোনেরা।
চালনি হাই স্কুলের পড়া শেষ করে নাদিয়া লুটন সিক্সথ ফর্ম কলেজে ভর্তি হন এবং ২০০৩ সালে ইংরেজি, মনোবিজ্ঞান এবং ধর্মীয় শিক্ষায় এ লেভেল অর্জন করেন।

নাদিয়ার ইংরেজি ভাষার শিক্ষক পল ক্রস্টন বলেন, ‘সে তেমন একটা বদলায়নি। আমি স্মরণ করতে পারিযে সে ভীষণরকম ভদ্র, বন্ধবৎসল এবং অমায়িক। আপনি খাওয়ার জন্য যে ধরনের লোকের ওপর নির্ভর করতে চান সে তেমনই একজন।’

নাদিয়ার কান্না, তার প্রাণ খোলা হাসি, তার কৌতূক, তার একাগ্রচিত্ত্বতা এই প্রতিযোগিতার দশর্কদের দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে।

সূত্র: টেলিগ্রাফ

অনার্স ১ম বর্ষ (বিশেষ) ও মাস্টার্সের পরীক্ষার সময় পরিবর্তন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪ সালের অনার্স ১ম বর্ষ (বিশেষ) ও ২০১২ সালের মাস্টার্স শেষ পর্বের পরীক্ষা অনুষ্ঠানের সময়ে পরিবর্তনে এনেছে কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষার দিন ঠিক রেখে সময় এক ঘণ্টা এগিয়ে এনে বেলা ২টার পরিবর্তে পরীক্ষা একটায় শুরু হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রবিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ০৬ অক্টোবর থেকে পূর্বনির্ধারিত বেলা ২টার পরিবর্তে দুপুর ১টা থেকে পরীক্ষা আরম্ভ হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে www.nu.edu.bd-এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।

দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা চলছে, সর্তক থাকুন : সিলেটে প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা রুখতে এবং বর্হিবিশ্বে ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন- যে মূহুর্তে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে সে মূহুর্তে দেশে পরিকল্পিতভাবে নানা ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে সর্তক থাকতে হবে।

শনিবার যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকায় ফেরার পথে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতিকালে আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান।

যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশগ্রহণের পর যুক্তরাজ্যে ব্যক্তিগত সফর শেষে শনিবার দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (০৩ অক্টোবর) সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাংশাদেশ বিমানের বিজি ০০২ ফ্লাইটটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এরপর বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সাথে প্রায় পৌণে একঘন্টা মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট লুৎফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস, সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বরাত দিয়ে বদর উদ্দিন আহমদ কামরান আরও বলেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওসমানী বিমানবন্দরে অবতরণের পরই জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার এবং আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের দেওয়া ‘আইসিটি অ্যাওয়ার্ড’ প্রাপ্তিতে তাকে সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়।

এরপর মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন- জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের দেয়া অ্যাওয়ার্ড এ দেশের মানুষের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন- দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মিলেমিশে কাজ করতে হবে। সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে গণমানুষের সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও সুসংগঠিত করতে হবে। সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলোকে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে।

শনিবার বেলা ১টা ৫ মিনিটে প্রধামন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি সিলেট থেকে ঢাকাস্থ হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

১৬ অক্টোবর সিলেট বিভাগে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপে সিলেট বিভাগের চার জেলায় লিখিত পরীক্ষ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৬ অক্টোবর। ওই দিন সিলেটের চার জেলা ছাড়াও আরো ১৮টি জেলায় লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায় গন্যমাধমকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ওই দিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত এই পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪৩ হাজার ২৫৭ জন অংশ নেবেন।

জেলাগুলো হলো- সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, খুলনা, জামালপুর, নেত্রকোনা, নরসিংদী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী ও লালমনিরহাট।
আগামী ২ অক্টোবর থেকে প্রার্থীদের মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে এবং ৩ অক্টোবর থেকে প্রার্থীরা প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন বলেও জানান রবীন্দ্রনাথ।
http://dpe.teletalk.com.bd/ ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।
রবীন্দ্রনাথ জানান, প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে কোনো বই, উত্তরপত্র, নোট বা অন্য কোনো কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন ও ভ্যানেটি ব্যাগ, পার্স, ইলেক্ট্রনিক ঘড়ি বা যে কোন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে রাখতে দেওয়া হবে না। “কোনো পরীক্ষার্থী কাছে এসব জিনিস পাওয়া গেলে তাকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করা হবে।” প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এবারই প্রথম ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও বিতরণ করে পর্যায়ক্রমে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নিচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রথম দফায় গত ২৭ জুন পাঁচ জেলায় এবং দ্বিতীয় দফায় গত ২৮ অগাস্ট ১৭ জেলায় শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। প্রাক-প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত বছরের ১০ ডিসেম্বর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, যার মধ্য দিয়ে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

আ.লীগ নেতা কালামকে চাঁদাবাজ ও ধান্দাবাজ বলল ছাত্রলীগ

সিলেট মহাগর আওয়ামী লীগের ১৪নং ওয়ার্ড শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক কালাম আহমদকে চাঁদাবাজ ও ধান্দাবাজ বলে আখ্যায়িত করেছেন মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলীম তুষার ও সাবেক সহ সভাপতি ময়নুল ইসলাম।

এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন- কালাম আহমদ আওয়ামী লীগের পদ বহন করলেও তাকে কখনো রাজপথে দেখা যায়নি। দলের নাম ভাঙিয়ে চাদাবাজি ও ধান্দাবাজি করাই তার মূল পেশা। বিভিন্ন সময় অবৈধভাবে মেলার আয়োজন, মেলার নামে জুয়ার আসর বসানোই তার কাজ।

প্রতিবার ঈদুল আযহা আসলেই কালাম তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে কয়েদির মাঠ ও মাছিমপুর এলাকায় পশুর অবৈধ হাট বসায়। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পশুর গাড়ি আটকে সে জোর করে তার অবৈধ হাটে নিয়ে যায়। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়।

এ বছরও কালাম নির্বাচন কমিশনের সার্ভার স্টেশনের পাশে কোরবানির পশুর অবৈধ হাট বসিয়েছিল। দলের নাম ভাঙিয়ে বসানো এই হাট দিয়ে সে ঈদ মৌসুমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তার এই হাটে অংশীদার ছিলেন স্থানীয় কয়েকজন।

কিন্তু ঈদের পর হাটের অংশীদারদের ভাগের টাকা আত্মসাত করেন কালাম। এনিয়ে অংশীদাররা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাদের কাছে বিচারপ্রার্থী হয়েছেন।

কালাম তার এই অপকর্ম ঢাকতে এবং হাটের অংশীদারদের টাকা আত্মসাত করতে ছাত্রলীগের নাম জড়িয়ে নাটক সাজিয়েছে। নেপথ্যে থেকে ইন্ধন দিচ্ছেন মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক এক সভাপতি।

নেতৃবৃন্দ বলেন- ধান্দাবাজ কালাম ছাত্রলীগ নেতাদের নাম জড়িয়ে যে অপপ্রচার চালাচ্ছেন তা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ভবিষ্যতে ছাত্রলীগের ক্লিন ইমেজধারী নেতাদের নিয়ে কোন ধরণের অপপ্রচার চালালে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা এর দাঁতভাঙা জবাব দেবে।

সাক্ষ্য দিলেন রাজনের বাবা ও বাদী

শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলায় বাদী ও রাজনের বাবা প্রথম দিন সাক্ষ্য দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণের প্রথম কার্যদিবসে তাদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আগামী রোববার (৪ অক্টোবর) আবার সাক্ষ্যগ্রহণ হবে।
আদালতের বিচারক মো. আকবর হোসেন মৃধা প্রথম দিনে মামলার বাদী জালালাবাদ থানার বরখাস্তকৃত উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম ও রাজনের বাবা আজিজুল ইসলাম আলমের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।
এর আগে দুপুর ১২টায় কারাগারে থাকা ১০ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামিদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী আমিনুল ইসলাম। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাকে প্রায় দেড় ঘণ্টা জেরা করেন। এরপর সাক্ষ্য দিতে ওঠেন রাজনের বাবা আজিজুল ইসলাম আলম। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাকেও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সন্তান হত্যায় ন্যায়বিচার পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে আজিজুল ইসলাম আলম বলেন, আসামি পক্ষের আইনজীবীরা বলেছেন, রাজন ভ্যান চুরি করেছিল। তবে আমি আগেও বলেছি, এটা সম্পূর্ণ বানোয়াট। আসামিদের কোনো ভ্যান গাড়িই নেই।
এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর একই আদালতের বিচারক চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলায় সৌদি আরবে আটক কামরুলসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় চার্জ গঠন করেন।
এদিন আদালতের বিচারক মামলার বিচারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে ১, ৪, ৭, ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার থেকে রাজন হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।
এ মামলার অভিযুক্তরা হচ্ছেন- সিলেট সদর উপজেলার কুমারগাঁও শেখপাড়ার মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে সৌদি আরবে আটক কামরুল ইসলাম, তার ভাই মুহিত আলম, আলী হায়দার ওরফে আলী ও শামীম আলম, দিরাইয়ের বাসিন্দা পাভেল ইসলাম, চৌকিদার ময়না মিয়া ওরফে বড় ময়না, হত্যার সময় ভিডিওচিত্র ধারণকারী জালালাবাদ থানার টুকেরবাজার ইউনিয়নের পূর্ব জাঙ্গাইল গ্রামের মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের ছেলে নূর আহমদ ওরফে নূর মিয়া, দুলাল আহমদ, আয়াজ আলী, তাজ উদ্দিন বাদল, ফিরোজ মিয়া, আছমত আলী ওরফে আছমত উল্ল্যাহ ও রুহুল আমিন ওরফে রুহেল। এদের মধ্যে সৌদি আরবে আটক কামরুল ইসলাম, শামীম আলম ও পাভেল ইসলামকে অভিযোগপত্রে ও অভিযোগ গঠনে পলাতক দেখানো হয়েছে।
গত ৮ জুলাই ভোরে চোর অপবাদ দিয়ে শিশু সামিউল আলম রাজনকে (১৩) নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। রাজন সদর উপজেলার কান্দিরগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামের আজিজুল ইসলাম আলমের ছেলে। পৈচাশিক নির্যাতনের প্রায় ২৮ মিনিটের ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশে-বিদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
এ হত্যাকাণ্ডের পর মহানগরীর জালালাবাদ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে মুহিত আলমসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। অন্যদিকে রাজনের বাবাও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরেকটি এজাহার দেন।
গত ১৬ আগস্ট সৌদি আরবে আটক কামরুল ইসলামসহ ১৩ আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ হত্যা মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ইন্সপেক্টর সুরঞ্জিত তালুকদার। এর আগে মুহিত আলমসহ ৮ জন এ ঘটনায় হত্যার দায় স্বীকার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
গত ২৪ আগস্ট আদালত এ মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেন। গত ২৫ আগস্ট জালালাবাদ থানা পুলিশ ৩ পলাতক আসামির মালামাল ক্রোক করেন

জাতিসংঘ থেকে কুলাউড়ার মেয়ে মণির রাজসিক প্রত্যাবর্তণ


জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে বক্তব্য রেখে দেশে ফিরেছেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার মেয়ে মণি বেগম। গত ৩০ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকাল ৯টায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে তিনি। ঢাকা থেকে সিলেটগামী আন্তঃনগর জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসে কুলাউড়া রেলওয়ে জাংশন স্টেশনে ওইদিন রাত সাড়ে ৮টায় নামেন মণি। এসময় স্টেশনের প্লাটফর্মে মণির সহপাঠী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পরিবারের সদস্যসহ এলাকার লোকজনকে সাতে শুভেচ্ছা জানান। মণি ট্রেন থেকে নামলে উচ্ছসিত জনতা তুমুল করতালি ও হর্ষধ্বণিতে মুখরিত হয়ে উঠেন। আনন্দ মিছিল সহকারে মণিকে বাসে করে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর স্কুল সুলতাপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অপেক্ষমাণ শত শত শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী মণিকে পুষ্পমাল্য দিয়ে বরণ করে নেন। রাজসিক গণঅভ্যর্থনা শেষে মায়ের বুকে ফিরেন মণি। মাকে কদমবুসি করার পর আবেগ আপ্লুত স্বরে তিনি বলেন, মা আমি কাউকে কদমবুসি করিনি তোমাকে করবো বলে। কতদিন হলো তোমাকে দেখি না। এদিকে, আগামী ৬ অক্টোবর (আজ মঙ্গলবার) স্কুলের পক্ষ থেকে মণিকে একটি গণসংবর্ধনা দেবার কথা জানান স্কুল কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও তাকে পর্যায়ক্রমে সংবর্ধনা দেবার তথ্য জানা গেছে। প্রসঙ্গত, বাল্যবিবাহ রোধ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে গত ১৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে গত ২৬ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সুলতানপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মণি বেগম (১৬)।

শাবিতে ভর্তি পরীক্ষার নিবন্ধন: যা করতে হবে


শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে অনার্স ভর্তি নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হবে ১৩ অক্টোবর। নিবন্ধন চলবে চলতি মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত। আগামী ১৪ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় ‘এ’ এবং দুপুর আড়াইটায় ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে ভর্তি সংক্রান্ত এসব তথ্য জানান- ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব প্রফেসর মুশতাক আহমদ। ভর্তি কমিটির সভাপতি প্রফেসর নারায়ণ সাহা জানান, এবার শাবিতে নতুন একটি বিষয় চালু হচ্ছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড, আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াড, আন্তর্জাতিক পদার্থ বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং অন্যন্য স্বীকৃত আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে স্বর্ণ, রৌপ্য অথবা ব্রোঞ্জ মেডেলপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীরা ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই তাদের পছন্দমত বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। ভর্তি পরীক্ষার জন্য যোগ্যতা: ২০১৪/২০১৫ সনে অনুষ্ঠিত এইচ.এস.সি (সাধারণ ও কারিগরি)/আলিম/ডিপ্লোমা ইন কমার্স/সমমান এবং ২০১২/২০১৩ সনে অনুষ্ঠিত এস.এস.সি (সাধারণ ও কারিগরি)/দাখিল বা সমমান পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ ছাত্র- ছাত্রীরা ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে ডিপ্লোমা-ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীদের ২০১০/২০১১ সালে অনুষ্ঠিত এস.এস.সি. বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। যে সব ছাত্র-ছাত্রী বিজ্ঞান শাখা থেকে এইচ.এস.সি বা সমমান পরীক্ষা পাস করেছেন তারা ‘এ’ ও ‘বি’ উভয় ইউনিটেই এবং অন্যরা শুধু ‘এ’ ইউনিটে আবেদন করতে পারবেন। ‘এ’ ইউনিটে আবেদন করার জন্যে এইচ.এস.সি/সমমান ও এস.এস.সি./সমমান উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.০ সহ মোট ৬.৫ থাকতে হবে। ‘বি’ ইউনিটে আবেদন করার জন্যে এইচ.এস.সি/সমমান ও এস.এস.সি./সমমান উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.০ সহ মোট ৭.০ থাকতে হবে। জি.সি.ই. ‘ও’ লেভেলে কমপক্ষে ৩টি বিষয়ে বি গ্রেডসহ ৫টি বিষয়ে পাস এবং জি.সি.ই. ‘এ’ লেভেলে কমপক্ষে ২টি বিষয়ে বি গ্রেডসহ ৩টি বিষয়ে পাস থাকতে হবে। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া: যদি কোনো ছাত্র/ছাত্রী ‘এ’ ও ‘বি’ উভয় ইউনিটে পরীক্ষা দিতে চান, তাহলে উভয় ইউনিটে আলাদা আলাদা আবেদন করতে হবে। সাব-ইউনিটগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যে, কোনো একটি সাব-ইউনিটে আবেদন করলে ওই ইউনিটের অন্য সাব-ইউনিটে আবেদন করা যাবে না। আবেদন করার জন্যে একটি প্রিপেইড টেলিটক মোবাইল ফোন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম (SUST), এইচ.এস.সি./সমমান শিক্ষা বোর্ডের নামের কোড, এইচ.এস.সি./সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, পাসের সাল এবং এস.এস.সি./সমমান শিক্ষা বোর্ডের নামের কোড, এস.এস.সি./সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, পাসের সাল, সাব-ইউনিটের কী ওয়ার্ড (A, B1, B2, B3, B4) লিখে ১৬২২২ নম্বরে SMS করতে হবে। উদাহরণ: SUST SYL 123456 2015 SYL 654321 2013 A এখানে 123456 এবং 654321 যথাক্রমে এইচএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর। শিক্ষাবোর্ড থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার যোগ্য হলে তার মোবাইল ফোন থেকে নির্ধারিত ফি কেটে নিয়ে তাকে ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বর, প্রবেশপত্রের জন্য একটি USER ID এবং PASSWORD জানিয়ে দেয়া হবে। যা নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করতে হবে। প্রবেশপত্র প্রিন্ট: প্রবেশপত্রের জন্য http://sust.teletalk.com.bd/ ওয়েব সাইটে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিটের USER ID এবং PASSWORD ব্যবহার করে প্রবেশপত্র প্রিন্ট অপশন থেকে আবেদনকারীকে ২ (দুই) কপি প্রবেশপত্র সাদা A4 সাইজ কাগজে প্রিন্ট নিতে হবে। ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগের দিন পর্যন্ত প্রবেশপত্র প্রিন্ট করা যাবে। কেউ যদি উভয় ইউনিটে আবেদন করেন, সেক্ষেত্রে প্রতিটি ইউনিটের জন্য একই নিয়মে আলাদাভাবে প্রবেশপত্র প্রিন্ট করতে হবে। USER ID এবং PASSWORD হারিয়ে গেলে SUSTHELPএইচ.এস.সি/সমমান শিক্ষাবোর্ডের নামের কোড এইচ.এস.সি/সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর এইচ.এস.সি/সমমান পরীক্ষার পাসের সাল লিখে 16222 নম্বরে SMS করতে হবে। উদাহরণ: SUSTHELPSYL2015 ভর্তি পরীক্ষার দিনে আবেদনকারীর করণীয়: প্রত্যেক ইউনিটের জন্য ছাত্র/ছাত্রীদের সদ্য তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি ও ২ কপি প্রবেশপত্র সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে। ভর্তি সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে ০১৫৫৫৫৫৫০০১-৪ হটলাইনে অথবা admission@sust.edu -তে ই-মেইল করে যোগাযোগ করা যাবে। আসন বিন্যাস: ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস যথাসময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.sust.edu/admission) প্রকাশ করা হবে এবং SMS এর মাধ্যমে জানানো হবে। এছাড়াও যে-কোনো মোবাইল ব্যবহার করে ১৬২২২ নম্বরে SMS করে এ-সংক্রান্ত তথ্য জেনে নিতে পারবেন। উদাহরণ: SUSTSEATPLANEXAMROLL পরীক্ষা পদ্ধতি: ভর্তি পরীক্ষা সম্পূর্ণভাবে বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (MCQ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্যে ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। কালো কালির বল পয়েন্ট কলম দিয়ে OMR ফরম-এ উত্তর করতে হবে। পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিদেশী ভর্তিচ্ছুদের করণীয়: বিদেশী ও বিদেশে অধ্যয়ন করা বাংলাদেশি ছাত্র/ছাত্রী যারা ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবেন, তাদের ক্ষেত্রে ভর্তির আবেদনের জন্য SAT Score ন্যূনতম ১১০০ থাকতে হবে। এসব ছাত্র/ছাত্রীর ক্ষেত্রে আবেদন প্রক্রিয়ার শেষ তারিখ ১০ নভেম্বর ২০১৫। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য www.sust.edu/admission ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

শাবিতে নকলের দায়ে এক শিক্ষার্থীকে বহিস্কারের সুপারিশ


শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষাকক্ষে নকল করায় বহিস্কারের সুপারিশ করেছে ওই বিভাগ। ওই শিক্ষার্থীর নাম সাখাওয়াত হোসেন। সাখাওয়াত হোসেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ২য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। নৃবিজ্ঞান বিভাগ সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালে বিভাগের ৩/২ ব্যাচের এএনপি-৩৬৫ কোর্সের পরীক্ষা দিতে যান সাখাওয়াত। এসময় পরীক্ষা কক্ষে দায়িত্বরত শিক্ষকরা তাকে নকলসহ ধরেন। সাখাওয়াত হোসেন শাবি শাখা ছাত্রলীগের কর্মী। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিভাগের প্রধান এ.কে.এম মাযহারুল ইসলাম জানান, সাখাওয়াত নামের এক শিক্ষার্থী ৩/২ ব্যাচের একটি কোর্সে পরীক্ষা দিতে এসে নকল করে। আমরা তার উত্তপত্র এবং নকল সংযুক্ত করে কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠিয়েছি। তারা এখন ব্যাবস্থা নেবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাখাওয়াত হোসেন ‘নকল করেননি’ এবং ‘এটি ভুল বুঝাবুঝি’ বলে মন্তব্য করেন। এদিকে সাখাওয়াত হোসেনকে ছাত্রলীগকর্মী স্বীকার করলেও শাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জীবন চক্রবর্তী পার্থ বলছেন, ‌কারো ব্যক্তিগত খারাপ কাজের দায় ছাত্রলীগ নেবে না।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

দীর্ঘদিন পর মায়ের পাশে তারেক রহমান


দীর্ঘ দিন পর মায়ের দেখা পেলেন তারেক রহমান। সে আনন্দে মাকে পাশে বসিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে এয়ারপোর্ট থেকে বাসায় নিয়ে যান তিনি। এমন একটি ছবি পাওয়া গেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নামে পরিচালিত একটি ফেসবুক পেজ থেকে। বিএনপি চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়া বুধবার বাংলাদেশ সময় সোয়া ১২টায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেসময় দলটির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিএনপি চেয়ারপারসনকে। এ সময় স্লোগানে স্লোগানে তারা খালেদাকে শুভেচ্ছা জানান। খালেদাও গাড়ির ভেতর থেকে হাত নেড়ে তাদের অভিনন্দন এরপর ১২ টা ৫০ মিনিটে তিনি হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে যান বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া ‌উইং সদস্য শায়রুল কবির খান। খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার একান্ত সচিব আব্দুস সাত্তার ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির সমর্থনে মেয়র প্রার্থী হওয়া তাবিথ আউয়াল। দলীয় সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে লন্ডন যাচ্ছেন তার একান্ত সচিব আব্দুস সাত্তার। গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগমও তার সঙ্গে লন্ডন যাচ্ছেন। ব্যক্তিগত এ সফরে খালেদা জিয়া চোখের চিকিৎসা করাবেন। লন্ডনের একটি হাসপাতালে পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান আগে থেকেই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে রেখেছেন। দীর্ঘ ৪ বছর পর বড় ছেলে তারেক রহমান, ছেলের বউ জোবায়দা রহমান, নাতনি জাইমা রহমানের সঙ্গে একান্তে সময় কাটাবেন তিনি। সর্বশেষ ২০১১ সালে লন্ডন সফরের সময় তাদের সঙ্গে দেখা হয়েছিল খালেদার। এছাড়া দীর্ঘ আট বছর পরে সপরিবারে ঈদ উদযাপন করবেন খালেদা জিয়া। এর আগে লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার রাত পৌনে দশটার দিকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে ৫৮৫ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া।

শিশু রাজন হত্যার অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে ২২ সেপ্টেম্বর


সিলেট: শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার অভিযোগ (চার্জ) গঠনের শুনানি পিছিয়ে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পুনর্নির্ধারণ করেছেন আদালত। বুধবার চার্জ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী না থাকায় তা পিছিয়ে ২২ সেপ্টেম্বর পুনর্নির্ধারণ করেন সিলেটের মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর হোসেন মৃধা। আদালত পলাতক তিন আসামির জন্য আইনজীবী নিয়োগ দিতে রাষ্ট্রপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান মামলার বাদী নিহত রাজনের বাবা শেখ আজিজুল আলমের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শওকত আলী। এর আগে পলাতক তিন আসামি ছাড়া অন্যদের আদালতে হাজির করা হয়। গত ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক সাহেদুল করিম মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমের জন্য মহানগর জেলা ও দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধার আদালতে হস্থান্তর করেন। গত ৩১ আগস্ট সৌদি আরবে আটক কামরুলসহ পলাতক আসামিদের আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালতের বিচারক। গত ৮ জুলাই সিলেট নগরীর কুমারগাঁওয়ে শিশু সামিউল আলম রাজনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে পড়লে দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে।

দুবাইয়ে বাংলাদেশি ট্যাক্সি চালকের বিরল সততা


কম্পিউটার ডিজাইনের চাকরিটি ছেড়ে দিয়ে ট্যাক্সির স্টিয়ারিংয়ে হাত রেখেছিলেন বাংলাদেশের নাগরিক আরিফুল করিম। দুবাই ট্যাক্সি করপোরেশনের একটি ট্যাক্সি চালান ২৮ বছর বয়সী এ যুবক। সংযুক্ত আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রীদের পৌঁছে দেন। এই চাকরিটা বেশ উপভোগ করেন আরিফুল। দুই বছর ধরে এ পেশায় রয়েছেন তিনি। গত বছর পবিত্র রমজান মাস শেষ হওয়ার কয়েকদিন আগে সততার অসামান্য এক নজির সৃষ্টি করেছেন এবং সততার যথাযোগ্য স্বীকৃতি, সম্মান ও প্রশংসা পেয়েছেন। বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৫০ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন এক যাত্রীকে। এক যাত্রী ভুল করে আরিফুলের গাড়িতে নগদ ২ লাখ ৩৫ হাজার দিরহাম বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার টাকা ফেলে গিয়েছিলেন। এতো বিপুল অর্থ হাতে পেয়েও নীতিভ্রষ্ট হননি আরিফুল। কর্তৃপক্ষের সহায়তায় পুরো অর্থটাই তিনি ওই যাত্রীকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। তার সততার স্বীকৃতিস্বরূপ রোডস অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (আরটিএ) এ বাংলাদেশিকে ব্যাজ ও সনদ প্রদান করে বিশেষভাবে সম্মানিত করেছেন। গর্বভরে আরটিএ থেকে পাওয়া ব্যাজটি দেখান তিনি। আরিফুল ইসলাম স্মৃতিচারণ করে বলছিলেন, গত বছর রমজান মাস শেষ হওয়ার ঠিক আগে এ ঘটনা ঘটে। এক যাত্রী মনের ভুলে তার জিনিসপত্র ক্যাবে রেখেই চলে যান। আমি বিষয়টি খেয়াল করিনি এবং এরপর আরও কয়েকজন যাত্রীকে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দিই। ট্যাক্সিতে একটু আরামের জন্য গা এলিয়ে দিতেই একটি কাগজের প্যাকেট দেখতে পাই। দুটি সিটের মধ্যিখানে পড়ে ছিল সেটি। সিটের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে প্যাকেটটি বের করে আনতেই বুঝলাম এর মধ্যে নগদ অর্থ আছে। আমি টাকাটা গুণে দেখলাম ২ লাখ ৩৫ হাজার দিরহাম আছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি আরটিকে বিষয়টি জানালাম এবং কার্যালয়ে প্যাকেটটি জমা দিলাম। একদিন পর ওই যাত্রী আরটিএ কার্যালয়ে গেলেন। তাকে বলা হলো, তার প্যাকেটটি যেমন ছিল, তেমনই আছে। আমাকেও ডাকা হলো এবং আমি ওই যাত্রীর সঙ্গে দেখা করলাম। তিনি ছিলেন ইরানের নাগরিক। পুরস্কার হিসেবে আমাকে ৩০০ দিরহাম দিলেন তিনি। আরটিএ কর্তৃপক্ষও একটি ব্যাজ ও সার্টিফিকেট বা সনদ দিয়ে আরিফুলের সততার স্বীকৃতি দেয়। তিনি বলছিলেন, এটাই প্রথমবার নয়। এর আগেও বহুবার তিনি যাত্রীদের উপকার করেছেন। তিনি বলছিলেন, যাত্রীরা প্রায়ই তাদের মানিব্যাগ বা মোবাইল ভুল করে ফেলে যান। প্রতিবার আমি কার্যালয়ে রিপোর্ট করি এবং যাত্রীদের ফেলে যাওয়া জিনিসপত্র সেখানে জমা রাখি। একবার তো তাকে এক যাত্রী ভাড়া পরিশোধের সময় ৫৮ দিরহামের পরিবর্তে ভুল করে ৫৩০ দিরহাম দিয়েছিলেন। সে কথা মনে করে আরিফুল বলছিলেন, আমি যখন বুঝলাম তিনি আমাকে ৫৮ দিরহামের পরিবর্তে ভুল করে ৫৩০ দিরহাম দিয়েছেন, আমি তাকে ডেকে সেটা বললাম। ভোর ৪টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ট্যাক্সি চালান আরিফুল। তিনি বলছিলেন, তার পিতামাতা সবসময় সঠিক পথ বেছে নেয়ার শিক্ষা দিয়েছেন। স্মিত হেসে আরিফুল করিম বলছিলেন, আমার ভালোমন্দ আল্লাহ দেখেন, তো আমি কেন অযথা দুশ্চিন্তা করবো? সূত্র: এমিরেটস টোয়েন্টি ফোর সেভেন

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

জাতিসংঘে বক্তব্য দেবে স্কুলছাত্রী মনি বেগম


জাতিসংঘে বক্তব্য দেবে স্কুলছাত্রী মনি বেগম জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশনের শিশু অধিকার সম্মেলনে বক্তব্য দেবে দশম শ্রেণির ছাত্রী মনি বেগম। বাংলাদেশ থেকে একমাত্র শিক্ষার্থী হিসেবে এ সুযোগ পেল মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সুলতানপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এ শিক্ষার্থী।

রুয়েটে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন শাবিপ্রবি


রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো জাতীয় কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। ১১ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া দিনের এ আয়োজনের চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয় ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার। চূড়ান্ত পর্বে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ‘ডাউন টু দ্য ওয়ার’ দল চ্যাম্পিয়ন হয়। রানারআপ হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি দল।

এক নজরে সদ্য প্রয়াত মন্ত্রী মহসিন আলী


সদ্য প্রয়াত সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী ১৯৪৮ সালের ১২ই ডিসেম্বর কলকাতার আলীপুরে জন্মগ্রহণ করেন। সৈয়দ মহসিন আলীর বাবার নাম সৈয়দ আশরাফ আলী। তিনি ব্যবসায়ী ছিলেন। সৈয়দ মহসিন আলীর মায়ের নাম আছকিরুনন্নেছা খানম। মৌলভীবাজার থেকে ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে তিনি কলকাতা চলে যান। আর সেখানেই জন্ম গ্রহন করেন সৈয়দ মহসিন আলী। সৈয়দ মহসিন আলীর শিক্ষা জীবন শুরু হয় কলকাতায়। তিনি কলকাতার সেন্টজেবিয়ার্স স্কুলে জুনিয়র কেম্রিজ ও সিনিয়র কেম্রিজ পাস করেন। পরবর্তীকালে আবার বাংলাদেশে এসে বাংলা মাধ্যমে কিছুদিন পড়াশুনা করেন। তবে আবারও তিনি কলকাতা থেকে ম্যানেজমেন্টে ডিপ্লোমা করেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। দেশমাতৃকার প্রতি তার মমত্ববোধের কারণে স্বতস্ফূর্তভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। সম্মুখসমরে যুদ্ধচলাকালে গুলিবিদ্ধও হয়েছিলেন মহসিন আলী। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সিলেট বিভাগে সিএনসি স্পেশাল ব্যাচের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কাজ করেছেন যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশ গঠনেও। তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক কাজে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন। মৌলভীবাজার মুহকুমার রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিতে তিনি ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগ যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীকালে জেলা আওয়ামী লীগেরও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতাত্তোরকালে তিনিই একমাত্র জননেতা যিনি পৌরসভায় পর পর ৩বার বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে তাকে শ্রেষ্ঠ পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করে। সদ্য প্রয়াত সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী। তিনি ২০০৮ ও ২০১৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে তিনি মিডিয়ার লাইম লাইটে উঠে আসেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা মহসিন আলী এক সৎ ও দেশপ্রেমিক রাজনীতিবীদ ছিলেন। তিনি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পুরো সময়টাই জনগণের সেবায় নিজেকে উত্সর্গ করেছেন। সোমবার ভোরে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৈয়দ মহসিন আলী শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Design Blog, Make Online Money